বছরজুড়ে সূচকের পতন, লেনদেনের গতি কমলেও বেড়েছে বাজার মূলধন
এক বছরে দেশের শেয়ারবাজারের সব মূল্যসূচক কমেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ‘ডিএসই এক্স’ ২০২২ সালে ৫৯৪ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট হারিয়েছে।
এছাড়াও ‘ডিএস ৩০’ ৩৩৭ দশমিক ২৮ পয়েন্ট এবং ‘ডিএসই এস’ ৭২ দশমিক ২৯ পয়েন্ট কমেছে।
মূল্যসূচকের পতনের সঙ্গে বিদায়ী বছরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের গতিও কমেছে। ২০২২ সালে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৯৬০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। ২০২১ সালে গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৪৭৫ কোটি ২২ লাখ টাকা। বছরজুড়ে প্রধান শেয়ারবাজারে মোট ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪৪৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
বিদায়ী বছরের অক্টোবরে শেয়ারবাজারে ৩ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকার মূলধন নিয়ে ২৫০ সরকারি সিকিউটিজ তালিকাভুক্ত হয়। ফলে ২০২২ সালে বাজার মূলধন ছাড়িয়েছে ৭ লাখ কোটি টাকা। বছর শেষে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৬০ হাজার ৯৩৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকায়।
বছরজুড়ে ৬ কোম্পানি আইপিওর মাধ্যমে ৭১৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকার মূলধন সংগ্রহ করেছে। এছাড়াও একটি পারপেচ্যুয়াল বন্ড ও একটি মিউচ্যুয়াল ফান্ড সংগ্রহ করেছে ৭৫ কোটি টাকার মূলধন।
এছাড়াও ‘ডিএস ৩০’ ৩৩৭ দশমিক ২৮ পয়েন্ট এবং ‘ডিএসই এস’ ৭২ দশমিক ২৯ পয়েন্ট কমেছে।
মূল্যসূচকের পতনের সঙ্গে বিদায়ী বছরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের গতিও কমেছে। ২০২২ সালে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৯৬০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। ২০২১ সালে গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৪৭৫ কোটি ২২ লাখ টাকা। বছরজুড়ে প্রধান শেয়ারবাজারে মোট ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪৪৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
বিদায়ী বছরের অক্টোবরে শেয়ারবাজারে ৩ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকার মূলধন নিয়ে ২৫০ সরকারি সিকিউটিজ তালিকাভুক্ত হয়। ফলে ২০২২ সালে বাজার মূলধন ছাড়িয়েছে ৭ লাখ কোটি টাকা। বছর শেষে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৬০ হাজার ৯৩৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকায়।
বছরজুড়ে ৬ কোম্পানি আইপিওর মাধ্যমে ৭১৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকার মূলধন সংগ্রহ করেছে। এছাড়াও একটি পারপেচ্যুয়াল বন্ড ও একটি মিউচ্যুয়াল ফান্ড সংগ্রহ করেছে ৭৫ কোটি টাকার মূলধন।