তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৪৫
তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এতে সিরিয়ায় অন্তত ২৪৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৬৩৯ জন। সিরিয়ায় হতাহতের সংখ্যা আর বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দেশটির ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে গাজিয়ানতেপ নামক স্থানে ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে প্রথমবার অনুভূত হয় কম্পন। এর স্থায়ীত্ব ছিল প্রায় ৪৫ সেকেন্ড। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল সীমান্তবর্তী শহর গাজিয়ানতেপের ভূ-ভাগ থেকে ১৭ দশমিক ৯ কিলোমিটার গভীরে।
তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেমন সয়লু জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১০টি শহর- গাজিয়ানতেপ, কাহরামানমারাস, হাতায়, ওসমানিয়ে, আদিয়ামান, মালাতিয়া, সানলিউরফা, আদানা, দিয়ারবাকির এবং কিলিস।
গাজিয়ানতেপের পূর্বে সানলিউরফার গভর্নর সালিহ আয়হান জানিয়েছেন, মৃতের সংখ্যা কমপক্ষে একশোর বেশি। এই সংখ্যা আরও অনেক বাড়তে পারে।
বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল তুরস্ক। ১৯৯৯ সালে শক্তিশালী ভূমিকম্পে তুরস্কে প্রাণ হারান ১৭ হাজারের বেশি মানুষ।
অর্থসংবাদ/এসএম
দেশটির ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে গাজিয়ানতেপ নামক স্থানে ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে প্রথমবার অনুভূত হয় কম্পন। এর স্থায়ীত্ব ছিল প্রায় ৪৫ সেকেন্ড। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল সীমান্তবর্তী শহর গাজিয়ানতেপের ভূ-ভাগ থেকে ১৭ দশমিক ৯ কিলোমিটার গভীরে।
তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেমন সয়লু জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১০টি শহর- গাজিয়ানতেপ, কাহরামানমারাস, হাতায়, ওসমানিয়ে, আদিয়ামান, মালাতিয়া, সানলিউরফা, আদানা, দিয়ারবাকির এবং কিলিস।
গাজিয়ানতেপের পূর্বে সানলিউরফার গভর্নর সালিহ আয়হান জানিয়েছেন, মৃতের সংখ্যা কমপক্ষে একশোর বেশি। এই সংখ্যা আরও অনেক বাড়তে পারে।
বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল তুরস্ক। ১৯৯৯ সালে শক্তিশালী ভূমিকম্পে তুরস্কে প্রাণ হারান ১৭ হাজারের বেশি মানুষ।
অর্থসংবাদ/এসএম