Ortho Songbad আর্কাইভ

বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী অংশীদার হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী অংশীদার হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী অংশীদার হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে আমাদের একক বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য, বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের বৃহত্তম উৎস, দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়ন অংশীদার এবং প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।’

তিনি বলেন, ‘আমি আশাবাদী যে, যুক্তরাষ্ট্র এ চ্যালেঞ্জিং উদ্যোগে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং পারস্পরিক সুবিধার জন্য একটি মসৃণ ও অনুমানযোগ্য সরবরাহ শৃঙ্খল তৈরির মাধ্যমে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি উৎপাদনশীল অংশীদার হবে।’

মঙ্গলবার (২ মে) ইউএস চেম্বার অব কমার্স ওয়াশিংটন ডিসির গ্রেট হলে ‘ইউএস-বাংলাদেশ ইকোনমিক পার্টনারশিপ: শেয়ার্ড ভিশন ফর স্মার্ট গ্রোথ’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের এক্সিকিউটিভ বিজনেস গোলটেবিল বৈঠক হয়। বৈঠকে মূল বক্তব্য উপস্থাপনকালে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশের একটি প্রধান অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘উভয় দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ অনেক ক্ষেত্রে নিবিড় সম্পৃক্ততা রয়েছে। আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য হলো- জনগণের জন্য পারস্পরিক সুবিধা ও সমৃদ্ধি অর্জন করা। আমাদের ক্রমবর্ধমান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্কে তা প্রতিফলিত হচ্ছে। ২০২১-২২ সালে বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১০ দশমিক ৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে এবং ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে।’

উপকূলীয় অঞ্চলে বাংলাদেশে একটি শিল্পকেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে জাপানের প্রস্তাবের উদাহরণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য এখন যুক্তরাষ্ট্রসহ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নীত করা। সরকারের প্রচেষ্টায় গত ১৪ বছরে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য আর্থ-সামাজিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। বাংলাদেশ এখন সর্বজনীনভাবে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে স্বীকৃত।

 

মুল সাইট থেকে

পুজিবাজার