ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ
যুক্তরাজ্যের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রধান কর্মকর্তার পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন সাজিদ জাভিদ। জুলাই থেকে দেশটির চ্যান্সেলর তথা অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।
১৯৭০ সালের পর ব্রিটেনের ইতিহাসে এত কম সময়ের জন্য অন্য কেউ অর্থ বিভাগের প্রধান হননি।
পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এক বাসচালকের ছেলে সাজিদ এর আগে দেশটির স্বরাষ্ট্র সচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিবিসি জানায়, জাভিদকে তার সহযোগীদের বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।
জবাবে সাজিদ জানান ‘কোনো আত্মমর্যাদা সম্পন্ন’ মন্ত্রী এ ধরনের শর্ত মানতে পারেন না।
চার সপ্তাহের মধ্যেই জাভিদের বাজেট পেশ করার কথা ছিল।
জাভিদের ঘনিষ্ঠ এক কর্মকর্তা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী জাভিদকে তার সব বিশেষ উপদেষ্টাকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাদের জায়গায় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের বিশেষ উপদেষ্টাদের নিয়োগ দিতে বলেছিলেন, যাতে সবাই মিলে একটি টিম গঠন করা যায়। কিন্তু জাভিদ তা মানেননি।
১৯৭০ সালের পর ব্রিটেনের ইতিহাসে এত কম সময়ের জন্য অন্য কেউ অর্থ বিভাগের প্রধান হননি।
পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এক বাসচালকের ছেলে সাজিদ এর আগে দেশটির স্বরাষ্ট্র সচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিবিসি জানায়, জাভিদকে তার সহযোগীদের বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।
জবাবে সাজিদ জানান ‘কোনো আত্মমর্যাদা সম্পন্ন’ মন্ত্রী এ ধরনের শর্ত মানতে পারেন না।
চার সপ্তাহের মধ্যেই জাভিদের বাজেট পেশ করার কথা ছিল।
জাভিদের ঘনিষ্ঠ এক কর্মকর্তা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী জাভিদকে তার সব বিশেষ উপদেষ্টাকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাদের জায়গায় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের বিশেষ উপদেষ্টাদের নিয়োগ দিতে বলেছিলেন, যাতে সবাই মিলে একটি টিম গঠন করা যায়। কিন্তু জাভিদ তা মানেননি।