৩৬ রানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ
সিরিজের ২য় টি২০ ম্যাচে ৩৬ রানের জয় পেয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২য় টি-টোয়েন্টিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২১১ রান।
ঢাকার মাঠে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়ে টস হেরেছিল বাংলাদেশ দল। কিন্তু প্রথমে ব্যাট করার আমন্ত্রণ পায় তারা। ব্যাট করতে নেমে লিটন কুমার দাস, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে ২১১ রান করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ।
২১২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। ১৯ ওভার ২ বলে সব কটি উইকেট হারিয়ে ১৭৫ রান করতে সক্ষম হয় তারা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন সাকিব। ছোট ফরম্যাটে ৭১ ম্যাচের ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মত পাঁচ উইকেট শিকারের পাশাপাশি সেরা বোলিং ফিগার দাঁড় করান সাকিব।
এর আগে সাকিবের ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার ছিলো ৩ ওভারে ১৫ রানে ৪ উইকেট। ২০১৬ সালে টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে ওমানের বিপক্ষে ১৫ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন সাকিব।
টি-২০ ফরম্যাটে এখন পর্যন্ত ৭১ ম্যাচের ৭০ ইনিংসে ৮৫ উইকেট শিকার করেছেন সাকিব।
সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটা হলো না বাংলাদেশের। টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের ইতিহাসে চলতি বছর মার্চেই ২১৫ রানের ইতিহাস গড়েছিল টাইগাররা। এবার সেটাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল। তবে রেকর্ড গড়তে না পারলেও নিজেদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মত দুই শ’রানের গণ্ডি পার হলো সাকিব আল হাসানের দল।
ঢাকার মাঠে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়ে টস হেরেছিল বাংলাদেশ দল। কিন্তু প্রথমে ব্যাট করার আমন্ত্রণ পায় তারা। ব্যাট করতে নেমে লিটন কুমার দাস, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে ২১১ রান করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ।
২১২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। ১৯ ওভার ২ বলে সব কটি উইকেট হারিয়ে ১৭৫ রান করতে সক্ষম হয় তারা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন সাকিব। ছোট ফরম্যাটে ৭১ ম্যাচের ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মত পাঁচ উইকেট শিকারের পাশাপাশি সেরা বোলিং ফিগার দাঁড় করান সাকিব।
এর আগে সাকিবের ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার ছিলো ৩ ওভারে ১৫ রানে ৪ উইকেট। ২০১৬ সালে টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে ওমানের বিপক্ষে ১৫ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন সাকিব।
টি-২০ ফরম্যাটে এখন পর্যন্ত ৭১ ম্যাচের ৭০ ইনিংসে ৮৫ উইকেট শিকার করেছেন সাকিব।